খবর

গার্মেন্টের মতো সুবিধা অন্য খাতেও দরকার

5 February, 2020
Source: The Daily Desh Rupantor

রপ্তানির উদ্দেশ্যে শুল্কমুক্ত আমদানি (ব্যাক টু ব্যাক এলসি) সুবিধা, বন্ডেড ওয়্যারহাউজ সুবিধাসহ তৈরি পোশাক খাতে বিদ্যমান অন্যান্য সুবিধা দেশের প্রযুক্তি খাতসহ অন্যান্য সম্ভাবনাময় খাতেও নিশ্চিত করা প্রয়োজন বলে মনে করেন প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগবিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান। সহজে ব্যবসার সূচকে অগ্রগতির পাশাপাশি এসব সুবিধা দেওয়া হলে দেশে বিনিয়োগ ও বাণিজ্য বাড়বে বলে মত দেন তিনি। বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান বাড়াতে করপোরেট করহার কমানোর কথাও বলেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা।

গতকাল ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (ডিসিসিআই) সভাপতি শামস মাহমুদের নেতৃত্বে পরিচালনা পর্ষদের সদস্যরা তার সঙ্গে দেখা করতে গেলে তিনি এ মন্তব্য করেন।

সালমান এফ রহমান বলেন, ব্যবসা পরিচালনা সূচকে উন্নয়নে সরকার বেশ কিছু কার্যকর উদ্যোগ নিয়েছে। ভবিষ্যতেও এ বিষয়ে ধারাবাহিকভাবে কাজ চলবে। এ সূচকে উন্নতি করতে হলে শুধু সংস্কার কার্যক্রম চালালেই হবে না, সুবিধাগুলো ব্যবসায়ীদের দোরগোড়ায় পৌঁছানো নিশ্চিত করতে হবে। অর্থনীতির বিকাশের স্বার্থে কৃষি, চামড়া, তথ্যপ্রযুক্তিসহ অন্যান্য সম্ভাবনাময় খাতে পোশাক শিল্পের মতো নানা সুবিধা নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

দেশের বিনিয়োগ সহায়ক পরিবেশ উন্নয়নে দ্রুততম সময়ে ওয়ান স্টপ সার্ভিস চালুকরণ ও বিনিয়োগ সংশ্লিষ্ট নীতিমালার প্রয়োজনীয় সংশোধন ও দ্রুত কার্যকর করার প্রস্তাব করেন শামস মাহমুদ। এছাড়া প্রতিবেশী দেশগুলোর মতো অবকাঠামো খাতে জিডিপির ৬-৮ শতাংশ বরাদ্দ রাখার পাশাপাশি এ খাতে দীর্ঘমেয়াদি অর্থায়নে বন্ড মার্কেট উন্নয়ন ও গ্রিন ফিল্ড অবকাঠামো প্রকল্পগুলোকে শেয়ারবাজারে অন্তর্ভুক্ত করার প্রস্তাব করেন। তিনি বিদ্যমান কোম্পানি আইনে কোম্পানির ঋণ গ্রহণে পরিচালকের ব্যক্তিগত গ্যারান্টি বিলোপ করা, কোম্পানির বিলোপ, একীভূতকরণ অন্তর্ভুক্ত করার প্রস্তাব করেন।

এ সময় ঢাকা চেম্বারের ঊর্ধ্বতন সিনিয়র সহ-সভাপতি এন এ মবিন, সহ-সভাপতি মোহাম্মদ বাশিরউদ্দিন, পরিচালক ওয়াকার আহমেদ চৌধুরী, আন্দালিব হাসান, নূহের লতিফ খান, মো. আল আমিন, আশরাফ আহমেদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।