খবর

বৈশ্বিক বাণিজ্য কাঠামোয় বাংলাদেশ উপকৃত হয়েছে

14 January, 2020
Source: The Daily Inqilab

প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারী শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান ফজলুর রহমান এমপি বলেছেন, বৈশ্বিক বাণিজ্য কাঠামোর কারণে বাংলাদেশ উপকৃত হয়েছে। তিনি বলেন, ১০ বছর আগে আমাদের মাত্র ৩ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হতো। এখন হয় ২৪ হাজার মেগাওয়াট। আমাদের রপ্তানি ৮ বিলিয়ন ডলার থেকে ৪০ বিলিয়ন ডলারে এসেছে পৌঁছেছে। দেশে পর্যাপ্ত সুযোগ ও সুশাসন ছিল। এই দু’ টি কারণেই বাংলাদেশ রেকর্ড প্রবৃদ্ধি অর্জন করতে পেরেছে।

গতকাল হংকং-এ এশিয়ান ফাইন্যান্সিয়াল ফোরামে (এএফএফ) ‘বৈশ্বিক বাণিজ্য ও সরবরাহ চেইন অর্থায়নের বিবর্তন’ শীর্ষক প্যানেল আলোচনায় তিনি এসব কথা বলেন। তিনি এই বৈশি^ক গুরুত্বপূর্ণ ফোরামে অংশগ্রহণকারী বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন। বৈশ্বিক আর্থিক প্রতিষ্ঠান এইচএসবিসি’র গেøাবাল ট্রেড অ্যান্ড রিসিভেবলস ফাইন্যান্স-এর বৈশ্বিক প্রধান মিস নাটালি বøাইথের তত্বাবধানে এই অনুষ্ঠানের অপর দুই বক্তা ছিলেন চীনের লি অ্যান্ড ফাং লিমিটেডের গ্রæপ চেয়ারম্যান ড. উইলিয়াম ফাং ও বৈশ্বিক আর্থিক প্রতিষ্ঠান স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড পিএলসি’র গ্রæপ প্রধান নির্বাহী বিল উইন্টার্স, সিবিই।

প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা সালমান ফজলুর রহমান বলেন, বিদ্যমান জলবায়ু সংকটে একেবারে সম্মুখে বাংলাদেশ। বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় পরিবেশবান্ধব কারখানা বাংলাদেশে অবস্থিত উল্লেখ করে উপদেষ্টা বলেন, সরকার পরিবেশ সুরক্ষায় ব্যবস্থা নিচ্ছে। তিনি প্রযুক্তি, বিশেষ করে চতুর্থ শিল্প বিপ্লব ও কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তার মতো প্রযুক্তির চ্যালেঞ্জ এবং এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বাংলাদেশ সরকার গৃহীত পদক্ষেপ নিয়েছে।

তিনি বলেন, ১০ বছর আগে, সরকার ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে। আজ সারাদেশে ইউনিয়ন পর্যায়ে ফাইবার অপটিক কাঠামো স্থাপন করা সম্ভব হয়েছে। সালমান এফ রহমান বলেন, আমরা শিগগিরই শিশুদের পাঠ্যক্রমে কোডিং অন্তর্ভুক্ত করতে চাই। কেননা, আমরা যদি প্রস্তুত না থাকি, তাহলে প্রযুক্তিগত উৎকর্ষের সুবিধা ঘরে তুলতে পারবো না।

প্যানেল আলোচনা ছাড়াও এশিয়ান ফাইন্যান্সিয়াল ফোরামের অন্যান্য অনুষ্ঠানেও অংশ নেয়ার কথা রয়েছে সালমান এফ রহমানের। এই ফোরামে হংকং-এ অবস্থিত বাংলাদেশ কনস্যুলেট ‘বাংলাদেশে বিনিয়োগ ও ব্যবসার সুযোগ’ শীর্ষক একটি ডিনার অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে যাতে বাংলাদেশের বিনিয়োগ সম্ভাবনা নিয়ে একটি পাওয়ারপয়েন্ট উপস্থাপনা করবেন তিনি। এর বাইরে এইচএসবিসি’র সিনিয়র ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তারা, ব্যাংকটির গ্রাহক ও সম্ভাব্য বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে একাধিক বৈঠকে মিলিত হবার কর্মসূচিও রয়েছে। চীনে নিযুক্ত বাংলাদেশের মান্যবর রাষ্ট্রদূত ও হংকং-এ নিযুক্ত বাংলাদেশের কনসাল জেনারেল এসব অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।