খবর

বঙ্গবন্ধু শিল্পনগরে বিনিয়োগ হবে ১০ বিলিয়ন ডলার -পরিদর্শনকালে সালমান এফ রহমান

5 December, 2019
Source: The Daily Inqilab

চট্টগ্রামের মীরসরাইয়ের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব শিল্পনগরে ৪ বছরে ১০ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি খাত বিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান এমপি। গতকাল বুধবার শিল্পনগর পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি একথা বলেন। হেলিকপ্টারে শিল্পনগরে আসেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা। তিনি নির্মাণাধীন বিভিন্ন শিল্পকারখানা ঘুরে দেখেন। কর্মকর্তাদের সাথে প্রকল্পের অগ্রগতি পর্যালোচনা করেন এবং প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন। তিনি সেখানে একটি জারুল গাছের চারা রোপণ করেন।

সালমান এফ রহমান বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব শিল্পনগরে দ্রুতগতিতে বিভিন্ন উন্নয়ন কাজ চলছে। সরকার বিদেশি বিনিয়োগ আনতে ব্যাপকভাবে কাজ করছে। দেশের অর্থনৈতিক অঞ্চলগুলো দেশভিত্তিক আলাদাভাবে বরাদ্দ করায় বিনিয়োগকারী দেশগুলো আগ্রহী হয়ে উঠছে। বাংলাদেশে বিনিয়োগের অপার সম্ভাবনা রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এখন আর জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সঙ্কট নেই। রাজনৈতিক পরিস্থিতি যথেষ্ট স্থিতিশীল থাকায় বিশ্বের অনেক দেশের বিনিয়োগকারীরা এখানে বিনিয়োগে আগ্রহী।

এ সময় অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষের (বেজা) নির্বাহী চেয়ারম্যান পবন চৌধুরী, বেজার প্রকল্প পরিচালক ফারুক হোসেন, মীরসরাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. রুহুল আমিন, মীরসরাই পৌরসভার মেয়র এম গিয়াস উদ্দিন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

প্রসঙ্গত চট্টগ্রামের মীরসরাই-সীতাকু- ও এর সংলগ্ন ফেনীর সোনাগাজী উপজেলার বিশাল অঞ্চলজুড়ে ৩০ হাজার একর জমিতে গড়ে উঠছে দেশের সর্ববৃহৎ বিশেষায়িত অর্থনৈতিক জোন। মীরসরাই সমুদ্র উপকূলে নির্মাণ করা হচ্ছে একটি কন্টেইনার বন্দর ও টার্মিনাল। শিল্পনগরে দেশি-বিদেশি অনেকগুলো কোম্পানি বা শিল্পগোষ্ঠি একক এবং যৌথ উদ্যোগে বিনিয়োগে শিল্প-কারখানা স্থাপন করবে। পূর্ণাঙ্গ অবস্থায় দাঁড়িয়ে গেলে ৭ লাখ থেকে ১০ লাখ লোকের কর্মসংস্থান হবে।

কক্সবাজার ব্যুরো জানায়, সালমান এফ রহমান ও পবন চৌধুরী গতকাল মাতারবাড়ি কয়লা বিদ্যুৎ প্রকল্প ও মহেশখালী অর্থনৈতিক অঞ্চল (ধলঘাটা) পরিদর্শন করেন। তারা সেখানে পৌঁছালে মহেশখালীর ইউএনও মো. জামিরুল ইসলাম তাঁদের ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান।
প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও বেজা’র নির্বাহী চেয়ারম্যান মাতারবাড়ি কয়লা বিদ্যুৎ প্রকল্প ও মহেশখালী অর্থনৈতিক অঞ্চল (ধলঘাটা) পরিদর্শন করে চলমান কাজের অগ্রগতি দেখে সন্তোষ প্রকাশ।