খবর

প্রথাগত বিনিয়োগ পরিকল্পনায় উন্নত দেশ হওয়া যাবে না

22 November, 2021
Source: Samakal

বাংলাদেশকে ২০৪১ সালে উন্নত দেশের কাতারে উন্নীত হতে হলে মাথাপিছু আয় বর্তমানের পাঁচ গুণ হতে হবে। প্রথাগত বিনিয়োগ পরিকল্পনা দিয়ে অর্জন সম্ভব নয়। এ ক্ষেত্রে কৃষি প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্প, ডিজিটাল অর্থনীতি এবং সবুজ অর্থায়নই হতে পারে ভবিষ্যৎ বাংলাদেশের অর্থনীতির চালিকাশক্তি।


রোববার ফরেন ইনভেস্টরস চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের (এফআইসিসিআই) 'বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধির চালিকাশক্তি :কৃষিভিত্তিক ব্যবসা, ডিজিটাল অর্থনীতি এবং সবুজ অর্থায়নে বিনিয়োগের সুযোগ ত্বরান্বিত করা' শীর্ষক এক গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশ অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন বক্তারা। বেসরকারি গবেষণা সংস্থা পলিসি এক্সচেঞ্জ অব বাংলাদেশ এ গবেষণা করেছে।


রাজধানীর বনানীর শেরাটন হোটেলে এ আয়োজনে প্রধান অতিথি ছিলেন পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান। বিশেষ অতিথি ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান। আলোচনায় অংশ নেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম, জাপানের রাষ্ট্রদূত ইতো নাওকি, কোরিয়ার রাষ্ট্রদূত লি জাং কেউন, নেদারল্যান্ডসের উপ-রাষ্ট্রদূত পাওলা রোস, অ্যাপেক্স ফুটওয়্যারের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ নাসিম মনজুর, এমসিসিআই সভাপতি নিহাদ কবির, এইচএসবিসি বাংলাদেশের সিইও মাহবুব উর রহমান, বিডা চেয়ারম্যান সিরাজুল ইসলাম, গ্রামীণফোনের সিইও ইয়াসির আজমান, বিএটি বাংলাদেশের সিইও শেহজাদ মুনিম প্রমুখ। সভাপতিত্ব করেন এফআইসিসিআইর সভাপতি রূপালী হক চৌধুরী।


পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, বিনিয়োগের পরিবেশ রয়েছে। এখন যে কেউ বিনিয়োগে আসতে পারে। রূপপুর বিদ্যুৎকেন্দ্র, পায়রা সমুদ্রবন্দরসহ মেগা প্রকল্পগুলো আগামীর বদলে যাওয়া বাংলাদেশের চিত্র।


সালমান এফ রহমান বলেন, বাংলাদেশের জিডিপির প্রবৃদ্ধির তুলনায় বিদেশি বিনিয়োগ অনেক কম। এ চিত্র শুধু বিদেশিদের নয়, স্থানীয় বিনিয়োগকারীদেরও ভুল বার্তা দিচ্ছে। সরকার বিনিয়োগ বাড়াতে ব্যবসার পরিবেশ উন্নত করার জোর চেষ্টা চালাচ্ছে।


রূপালী চৌধুরী বলেন, বর্তমানে দুই কোটিরও বেশি মানুষ দারিদ্র্যসীমার নিচে। শুধু মুনাফা নয়, মানুষের জীবনমান বাড়াতেও ব্যবসায়ীদের নজর দিতে হবে। পলিসি এক্সচেঞ্জের চেয়ারম্যান মাসরুর রিয়াজ বলেন, অপেক্ষাকৃত কম কৃষিজমি নিয়ে আগামীর বিশাল জনসংখ্যার খাদ্য চাহিদা নিশ্চিত করতে হবে। তাই এ ক্ষেত্রে বৈচিত্র্য আনা জরুরি।